শনিবার, ২৪ Jul ২০২১, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বিষপানে গৃহবধুর মৃত্যু গৌরনদীতে সড়ক দূর্ঘটনায় তিনজন নিহত ইউপি চেয়ারম্যানের সুস্থতায় দোয়া-মিলাদ সহকর্মীদের ভালবাসায় সিক্ত হলেন সাংবাদিক হীরা গৌরনদীতে কর্মহীন অটোচালক ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপহার প্রদান গৌরনদীতে তিনটি গাঁজা গাছ উদ্ধার বরিশালের শ্রেষ্ঠ ওসি (তদন্ত) মাজাহার সুমন।। একটি ষাঁড়ের ওজন ৪০ মণ গৌরনদীতে কঠোর অবস্থানে প্রসাশন  নিদের্শ অমান্য করায় জরিমানা  গৌরনদীতে করোনার ভ্যাকসিন  কার্যক্রমের উদ্বোধণ বিপাকে খামারিরা কোরবানীর পশু নিয়ে।। তানিনের ’জামাই দুই নম্বরী’ অনেক আগে থেকেই সিনেমার অফার পেয়েছি -ডিজে পরী নাঈমা হোসেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের  গৌরনদীতে আশ্রয়ন প্রকল্পের নিমার্ণধীন ঘর পরিদর্শন   গৌরনদীতে জমি ফেরত পেতে অসহায় বিধুবার আকুতি
একটি ষাঁড়ের ওজন ৪০ মণ

একটি ষাঁড়ের ওজন ৪০ মণ

এস এম মিজান।।
কালো শরীরে একটি ষাঁড়। ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও  ৫ ফুট উচ্চতার এ গরুটির ওজন ৪০ মণ! এটি বেড়ে উঠেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর  গ্রামে। এটির মালিক স্থানীয় সেলিম হাওলাদার । আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিক্রির জন্য তিনি ষাঁড়টির দাম হেঁকেছেন ২৭ লাখ টাকা! গরুটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমছে সেলিমের বাড়িতে। 

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেলিম হাওলাদার (৪৬) বছর চারেক আগে পাশের উপজেলার হারতাপারা বাজার থেকে গরুটি কেনেন। তখন বয়ষ ছিলো নয় মাস কিনেছিলেন ৬৫ হাজার টাকায় । এরপর দেশীয় পদ্ধতিতে গরুটি মোটাতাজা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রয়োজনমতো খাবার ও পরিচর্যায় গরুর আকৃতি বাড়তে থাকে। আদর করে নাম দেন রাজাভাই। দিনে দিনে ওজন বেড়ে গরুটি ৪০ মণে এসে দাঁড়ায়। তিনি এ বছর গরুটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। 

সেলিম হাওলাদা জানান, গরুটি ফিজিয়ান জাতের। এর খাদ্যতালিকায় রয়েছে কাঁচা ঘাস, খড়, গম ও ধানের ভুসি, ভুট্টা, ডালের গুঁড়া, তৈল বীজের খৈল, ছোলা ও খুদে ভাত। সব মিলিয়ে গরুটি প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক মণ খাবার খায়। শুরুর দিকে খাবার কম খেলেও দিনে দিনে তার খাবার পরিমাণ বাড়ে। বর্তমানে গরুটির ওজন প্রায় ৪০ মণ। 

সেলিম হাওলাদার বাংলাদেশের খবর কে বলেন, ‘এ ধরনের গরু লালন–পালন খুবই কষ্টের। পরিবারের একজন সদস্যের মতো করে আমরা গরুটি পালন করেছি। পরিবারের সবাই মিলে যত্ন নিয়ে বড় করেছি। অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ২৭ লাখ টাকায় গরুটি বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে দুটি মোটা দড়িতে বেঁধে রাখা হয়েছে গরুটি। আর তাকে দেখতে বাড়ি ভর্তি মানুষ। শত মন্তব্য দর্শনার্থীদের। আর মালিকের বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসায় যেন মন খারাপ রাজাভাইর। সেলিমের স্ত্রী কমলা বেগম বলেন, ‘আমরা সন্তানের মতন করে রাজাভাইকে  পালছি। কোনদিন কোনো কষ্ট  দেইনেই। এখন অনেক মানুষ গরুটা দেখতে আমাদের বাড়িত আসতেছে। ইহা ভালোই লাগতেছে। তবে রাজাভাই চলে যাবে ভাবতে মনটা খারাপ লাগে।

গরু দেখতে এসে স্থানীয়  বাচ্ছু রহমান জানান, তিনি এত বড় গরু আগে কখনো দেখেননি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2016
Design By Rana