বুধবার, ১৬ Jun ২০২১, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
উজিরপুরে হরেন্দ্র-মালতী কল্যাণ ট্রাস্ট’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শ্রেষ্ঠ এস,আই পুরস্কার পেলেন গৌরনদী মডেল থানার আব্দুল হক।। শ্রেষ্ঠ “ওসি” পুরস্কার পেলেন গৌরনদী মডেল থানার আফজাল হোসেন।। ওসির হস্তক্ষেপে গৌরনদীর বেঁধে পল্লীতে শান্তির সু-বাতাস গৌরনদীতে জোড়া লাগানো জমজ কন্যা শিশুর জন্ম হত্যার পর গুম হওয়া কলেজ ছাত্রীর লাশ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার গৌরনদীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ কৃষাণীদের মাঝে চারা বিতরণ হত্যার পর কলেজ ছাত্রী স্ত্রীর লাশ গুম বাবুগঞ্জ থানায় নতুন ওসি মাহাবুবুর রহমান গৌরনদীতে ফুটবল টূর্নামেন্টের প্রস্তুতি সভা বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী ভাতিজার লাশ রেখে পালালেন চাচা, মায়ের অভিযোগ ‘হত্যা’ গৌরনদীতে আইনশৃঙ্খলা ও ইয়াসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
স্বামী পেটানোর বিশ্বের তৃতীয় স্থানে ভারতের নারীরা

স্বামী পেটানোর বিশ্বের তৃতীয় স্থানে ভারতের নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

সারা বিশ্বে নারী নির্যাতনের ঘটনা যখন জ্বলন্ত সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে, তখন ভারতীয় নারীদের অন্য রূপ উঠে এল এক সমীক্ষায়। তথ্য অনুযায়ী, বর বা স্বামী পেটানোয় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে আছেন তাঁরা।

যে দেশে নারী নির্যাতন সবথেকে বড় সমস্যা সেখানে এই তথ্য রীতিমতো চমকপ্রদ। তবে ইউএন-এর সমীক্ষার রিপোর্ট সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।

সমীক্ষা অনুযায়ী, বর পেটানোয় প্রথম স্থানে আছেন মিশরের মহিলারা। সেখানে অন্তত ৬৬ শতাংশ মহিলা বরকে মারধর ও নানাভাবে হেনস্তা করেছেন। তারপর ফ্যামিলি কোর্টে বিচ্ছেদের মামলা করেছেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানেই আছে ব্রিটেন।

আশ্চর্যজনকভাবে তৃতীয় স্থান দখল করেছে ভারত। ধর্ষণ থেকে গার্হস্থ্য সমস্যায় জেরবার দেশের ক্ষেত্রে এই স্থান পাওয়া বেশ অবাক করার মতোই। বিয়ে, পণপ্রথার কবলে পড়ে নারীরা যেমন নির্যাতিত হচ্ছেন, তেমন পাল্টা মার দেওয়ার ঘটনাও যে বিরল নয়, সে সত্যিই প্রকাশ করছে এই সমীক্ষা। আরও জানা যাচ্ছে, মহিলারা মারধরের ক্ষেত্রে মূলত বেলনচাকি-সহ রান্নাঘরের সামগ্রী, বেল্ট ও জুতোই হাতে তুলে নেন।

এই সমীক্ষা প্রকাশ হওয়া মাত্র ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নিঃশব্দে হলেও বহু পুরুষ এই সমীক্ষার সঙ্গে একমত হবেন বলে মনে করছেন অনেকে। অন্যদিকে এই তথ্যকে সদর্থক হিসেবেই দেখছেন ভারতীয় মহিলারা। নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও মেয়েরা যে পড়ে পড়ে মার খাওয়ার পাত্রী নন, সে যুক্তিই তুলে ধরছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, এ তালিকায় যত সামনে আসবে ভারত, তত কমবে মিতাদের অকালমৃত্যুর ঘটনা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2016
Design By Rana